Saturday, July 25, 2015

মীর মশাররফ হোসেন


মীর মশাররফ হোসেন জাতীয়তাবাদীর দৃষ্টিকে ধারণ করেছেন। অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে, তিনি এক বিশেষ সময়ে জন্মগ্রহণ করেছেন। সে সময়ে বাংলা পদানত ছিল ব্রিটিশ রাজশক্তির হাতে। তাই তার বুকে স্বাধীনতার পদাবলি প্রবল ছিল। আর এ কারণেই আমরা দেখি ‘বিষাদ সিন্ধু’র এজিদ বধ পর্বে রচনা করেন, ‘কিন্তু স্বাধীনতা ধনে একবার বঞ্চিত হইলে সহজে সে মহামণির মুখ আর দেখা যায় না। বহু আয়াসে আর সে মহামূল্য রতন হস্তগত হয় না। স্বাধীনতা-সূর্য একবার অস্তমিত হইলে পুনরুদয় হওয়া বড়ই ভাগ্যের কথা।’

তিনি ভুলে যান না যে নাগরিক হিসেবে তারও দায় আছে। সে দায় এড়ানোর সুযোগ খুব কম। তাই ‘বিষাদ সিন্ধু’ আখ্যানে রচনা করেন, ‘রাজা প্রজারক্ষক, বিচারক, প্রজাপালক এবং করগ্রাহক। কিন্তু রাজ্যের যথার্থ অধিকারী প্রজা। দায়িত্ব প্রজারই অধিক। রাজ্য প্রজার রক্ষার দায়িত্ব বাসিন্দামাত্রেরই।’ ‘বিষাদ সিন্ধু’র মাধ্যমে মিথকে তিনি নবায়ন করেন। সমকালীন জীবন ও চিন্তার সঙ্গে প্রাচীন চিন্তনের সংযোগ ঘটানোর কাজটি করা হয়। নানা লেখার ভিড়ে তার ভাবনায় ছিল স্বদেশের মাটি ও মানুষ। তাই তার আখ্যান পাঠে কোনো ইসলামী মিথের সঙ্গে কথোপকথন হয় না বরং যুদ্ধবিরোধী একটি মানবিকতা বোধ জাগ্রত হয়। এখানেই মীর মশাররফ হোসেন নতুন চিন্তনের দিকে ধাবিত করেন। যেখানে ধর্মের চেয়ে বড়ো হয়ে যায় শিল্পের সাধনা, বাস্তব সমাজের নানা সংকট। একটি বিশেষ কালপর্ব থেকে ঘটনা নিয়ে রচিত হয়েছে মানবিক চিন্তনের এক অসামান্য দলিল।

মীর মশাররফ হোসেনের ৩৬টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তার লেখা উল্লেখযোগ্য বইগুলোর নাম আগ্রহী পাঠকের কথা বিবেচনায় প্রকাশ করা হলো : ‘রত্নবতী’ (গদ্যে রচিত প্রথম বাঙালি মুসলমান রচিত গল্প), ‘গোরাই-ব্রিজ অথবা গৌরী-সেতু’, ‘বসন্তকুমারী নাটক’ (বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিক রচিত প্রথম নাটক। নাটকটি তিনি নওয়াব আবদুল লতিফকে উৎসর্গ করেন), ‘জমীদার দর্পণ’, ‘বিষাদ সিন্ধু’, ‘সঙ্গীত লহরী’ (১ম খণ্ড), ‘গো-জীবন’, ‘বেহুলা গীতাভিনয়’, ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’, ‘তহমিনা’, ‘গাজী মিয়াঁর বস্তানী’ ইত্যাদি।

আজ তাঁর প্রয়াণ দিবস, এই সময়ে তাঁর রচনার সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে তার চিন্তনকে সন্ধান করা যায়। মীর মশাররফ হোসেন যে চিন্তনের কথা বলেন তাতে থাকে প্রগতিশীলতার ছাপ। আজ বলতে দ্বিধা নেই যে ‘বিষাদ সিন্ধু’ মুসলমান সমাজে ধর্মীয় চিন্তনে ক্ষেত্রেও একটি দেয়াল তৈরি করে। এই দেয়াল হলো মানবিকতার দেয়াল, তখন ধর্ম গৌণ হয়ে যায়। তাই তার কাব্যে ধর্ম প্রসঙ্গ থাকলেও তা স্বর্গের পথ নির্দেশ করে না। বরং মানবের মনে থাকা বেদনাকে বহন করে। ইতিহাসকে আশ্রয় করে তিনি নতুন ভাবনার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তার ভাবনায় কারবালায় যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে তার মূল কারণ প্রেম। এজিদকে তিনি তৈরি করেছেন এক মানবীয় রূপ দিয়ে। এখানে জয়নাবের প্রেম বঞ্চিত এজিদ জিততে চায় তাকে। তাইতো এজিদ তার সৈন্যকে বলে, ‘জয়নাব লাভের আশাতরী বিষাদ সিন্ধু হইতে উদ্ধার করিতে চাও তবে এখনই অগ্রসর হও, আর পশ্চাতে ফিরিও না।’

মীর মশাররফ হোসেন অনুভব করেছেন ভালোবাসার এই পথের সঙ্গে আরেকটি পথ আছে তার নাম সপত্নীবাদ। এটাও ভালোবাসার আরেকটি চেহারা। এই ঈর্ষার পথে পরাজয় ঘটে সম্পর্কের, ভালোবাসার। মীর মশাররফ হোসেন এখানে ব্যক্তি জীবনের স্রোতে ডুব দিয়েছেন। হাসানের স্ত্রী জায়েদা সম্পর্কেও এ কথা খাটে।  একই অবস্থা দেখা যায় মশাররফের ব্যক্তি জীবনে। তার দুই স্ত্রী আজিজান নেসা এবং বিবি কুলসুম। ধারণা করা যায় এই পথেই মীর উপলব্ধি করতে পেরেছেন সপত্নীবাদের যন্ত্রণা। এ বিষয়ে ‘বিষাদ সিন্ধু’তে রচনা করেন, ‘সপত্নীবাদ কোথায় না আছে? এক অন্তরে দুই মূর্তির স্থাপন হওয়া অসম্ভব। ইহার পর তিনটি যে কি প্রকারে সংকুলান হইল, সমভাবে সমশ্রেণিতে স্থান পাইল, তাহা আমাদের বুদ্ধিতে আসিল না।’

মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘বিষাদ সিন্ধু’ আখ্যানের শরীরে বাঙালি মুসলমান সমাজের আবেগ যেমন আছে অনুরূপ তার চিন্তন এবং ক্রিয়ার সঙ্গে ভ্রমণও রয়েছে। তিনি উনিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক। তার গদ্যরীতি ছিল বিশুদ্ধ বাংলা। তিনি `জমিদার দর্পণ` নাটক লিখে তৎকালীন অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের মর্যাদা লাভ করেন। মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃত মীর মশাররফ হোসেন অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করলেও আরবি-ফারসি মিশ্রিত তথাকথিত মুসলমানী বাংলা ভাষা পরিত্যাগ করেছিলেন। তার `বিষাদ সিন্ধু` আজও পঠিত হয়। কারবালার করুণ ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে রচিত এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ১৯ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা।


Mosharraf Hossains Books ::

মুক্তিযুদ্ধ বই

এখানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কিছু বই দেয়া হল। কিছু কিছু বই পাঠকের মতামতের/ দৃষ্টিভঙ্গির সাথে নাও মিলতে পারে, কিন্তু এটি বই লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, সুতরাং বই লেখকের কোন তথ্যগত ভুল, দৃষ্টিভঙ্গির ভুলের জন্য আমরা দায় না।

কাজী নজরুল ইসলামের রচিত ২৫টি গ্রন্থের ই-বুক


কাজী নজরুল ইসলামের সম্পর্কে আমরা অনেক কিছু জানি, তাই আর নতুন করে পুরাতন কিছু লিখছি না। প্রথম যখন কাজী নজরুল ইসলামের গান শুনি তখন থেকে তাঁর গানের প্রতি ভাললাগা জন্মে যায়। নজরুল গীতির প্রতি ধীরে ধীরে আগ্রহ বাড়তে থাকে। আগ্রহের মাত্রা এতো বেশি ছিল যে তখন থেকে তাঁর গান সংগ্রহ করে করে রাখলাম। এখনো আরো অনেক গান আছে যা আমার কাছে নেই। যাঁর গানের কথা সুন্দর তাঁর গল্প, কবিতা নিশ্চয়ই অসুন্দর হবে না, তারপর থেকে নজরুলের কবিতা, গল্প পড়ার জন্য প্রথমে লাইব্রেরী থেকে কয়েকটা বই কিনলাম। ভালো লাগল বলে পরে ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইট থেকে কয়েকটি বই ডাউনলোড করে গল্প, কবিতা, গানের, উপন্যাস, প্রবন্ধ মিলিয়ে ২৫টি বই পেয়েছি সব নামিয়ে নিলাম। সময় পেলে এগুলো পড়ি। নিচে শিরোনামে ক্লিক করলেই ডাউনলোড লিঙ্কে চলে যাবে।
কবিতা
১। অগ্নিবীণা (১৯২২)
২। সঞ্চিতা (১৯২৫)
৩। ফণিমনসা (১৯২৭)
৪। চক্রবাক (১৯২৯)
৫। মরুভাস্কর (১৯৫১)
৬। নতুন চাঁদ (১৯৩৯)
কবিতা ও সংগীত
১। বিষের বাঁশি (১৯২৪)
২। দোলন চাঁপা (১৯২৩)
৩। ছায়ানট (১৯২৫)
৪। সর্বহারা (১৯২৬)
৫। সিন্ধু-হিন্দোল (১৯২৭)
৬। জিঞ্জির (১৯২৮)
সংগীত
১। বুলবুল (১৯২৮)
২। সন্ধ্যা (১৯২৯)
৩। বনগীতি (১৯৩১)
ছোট গল্প
১। ব্যথার দান (১৯২২)
২। শিউলি মালা গল্প (১৯৩১)
৩।বাদল বরিষনে 
৪। ঘুমের ঘোরে (১৯১৯)
৫। হেনা (১৯১৯)
উপন্যাস
১। 
বাধন হারা 
(১৯২৭)
২। মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০)
নাটক
১। আলেয়া গীতিনাট্য (১৯৩১)
২। ঝড় কিশোর কাব্য-নাটক (১৯৬৪)
প্রবন্ধ
১। যুগবানী (১৯২৬)

মাসুদ রানা সিরিজ


লেখক কাজী আনোয়ার হোসেনের বানানো প্রতিকি চরিত্র হল মাসুদ রানা

কমান্ড মিশোন – ডাউনলোড
রাত্রি-অন্ধকার মাসুদ রানা ০১৯ – ডাউনলোড
ক্ষ্যাপা-নর্তক মাসুদ রানা ২৩-২৪ – ডাউনলোড
মাসুদ রানা ২৭-২৮ বিপদজনক খণ্ড (১-২) – ডাউনলোড
মাসুদ রানা ৫৩-৫৪ হংকং সম্রাট খণ্ড (১-২) – ডাউনলোড
মাসুদ রানা ৬৮-৬৯ জিপসি খণ্ড (১-২) – ডাউনলোড
মাসুদ রানা ৭২-৭৩ সেই উ সেন ১ – ডাউনলোড
মাসুদ রানা ৮৩-৮৪ পালাবে কোথায় ১ – ডাউনলোড
মাসুদ রানা ০৮৭ বিষ নিঃশ্বাস ১ – ডাউনলোড
মাসুদ রানা ০৮৮ বিষ নিঃশ্বাস ২ – ডাউনলোড
মাসুদ রানা ১৩৯-১৪০ মরণ কামড় খণ্ড (১-২) – ডাউনলোড

মুহাম্মদ জাফর ইকবাল সংগ্রহ


ডাউনলোড করুন মিডিয়াফায়ার আপলোডারদের থেকে
এই মিডিয়াফায়ার লিংকগুলি আমাদের নয়, সেহেতু আমরা এর কোন দায়ভার গ্রহন করিনা।

Adh Dozon School | size : 3.85 mb | page :
Amra o crab nebula | size : 4.7 mb | page :
Bokulappu | size : 4.76 mb | page :
Boishakher Hahakar | size : 5.65 mb | page :
Beji | size : 365 kb | page :
Ekti Mrittudondo | size : 278 kb | page :
Fobianer Jatri | size : 543 kb | page :
Jonmodin | size : 91 kb | page :
Mohakashe Mohatrash | size : 4.76 mb | page :
Nishshongo Baachon | size : 2.84 mb | page :
Nitu | size : 6.65 mb | page :
Octopuser Chokh | size : 207 kb | page :
Pree | size : 7.68 mb | page :
Pret | size : 5.34 mb | page :
Swapno | size : 233kb | page :
Sahanaz o Captain W | size : 5.03 mb | page :
Suhaner Shopno | size : 5.10 mb | page :
Tinni O Bonya | size : 4.62 mb | page :
Tukunjil | size : 5.4 mb | page :
Tratuler jogot | size : 6.14 mb | page :

উল্লেখযোগ্য রচনাবলী
উপন্যাস
■ বিবর্ণ তুষার
(১৯৯৩)
Part 1
Part 2
■ কাচসমুদ্র
(১৯৯৯)
■ সবুজ ভেলভেট
(২০০৩)
■ ক্যাম্প (২০০৪)
■ মহব্বত আলীর
একদিন
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
■ অপারেশন অপক্ষেপ
■ অন্য জগত
■ কপোট্রনিক সুখ দুঃখ (১৯৭৬)
■ মহাকাশে মহাত্রাস (১৯৭৭)
■ ক্রুগো (১৯৮৮)
■ ট্রাইটন একটি গ্রহের নাম (১৯৮৮)
■ বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিস্কার (১৯৯২)
■ ওমিক্রমিক রূপান্তর (১৯৯২)
■ টুকুনজিল (১৯৯৩)
যারা বায়োবট (১৯৯৩)
■ নি:সঙ্গ গ্রহচারী (১৯৯৪)
■ ক্রোমিয়াম অরণ্য (১৯৯৫)
■ ত্রিনিত্রি রাশিমালা (১৯৯৫)
■ নয় নয় শূন্য তিন (১৯৯৬)
■ অনুরণ গোলক (১৯৯৬)
■ টুকি ও ঝায়ের (প্রায়) দুঃসাহসিক
অভিযান (১৯৯৭)
■ পৃ (১৯৯৭)
■ রবো নগরী (১৯৯৭)
■ একজন অতিমানবী (১৯৯৮)
■ সিস্টেম এডিফাস (১৯৯৮)
■ মেতসিস (১৯৯৯)
■ ইরন (২০০০)
■ জলজ (২০০০)
■ ফোবিয়ানের যাত্রী (২০০১)
■ প্রজেক্ট নেবুলা (২০০১)
■ ত্রাতুলের জগৎ (২০০২)
বেজি (২০০২)
■ শাহনাজ ও ক্যাপ্টেন ডাবলু (২০০৩)
■ সায়রা সায়েন্টিস্ট (২০০৩)
■ ফিনিক্স (২০০৩)
■ সুহানের স্বপ্ন (২০০৪)
■ অবনীল (২০০৪)
■ নায়ীরা (২০০৫)
■ বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা (২০০৫)
■ রুহান রুহান (২০০৬)
■ জলমানব (২০০৭)
■ অন্ধকারের গ্রহ (২০০৮)
■ অক্টোপাসের চোখ (২০০৯)
■ ইকারাস (২০০৯)
■ রবোনিশি (২০১০)
■ প্রডিজি (২০১১)
■ কেপলার টুটুবি (২০১২)
■ ব্ল্যাক হোলের বাচ্চা (২০১৩)
■ এনিম্যান (২০১৪)
■ সেরিনা(২০১৫)
■ Turin Test
■ ওয়াই-
ক্রোমোজোম
■ সিনাপ্সুঘুটিঁয়া

কিশোর উপন্যাস
■ হাতকাটা রবিন -(১৯৭৬)
■ দীপু নাম্বার টু (উপন্যাস) -(১৯৮৪)
■ দুষ্টু ছেলের দল-(১৯৮৬)
■ আমার বন্ধু রাশেদ-(১৯৯৪)
■ টি-রেক্সের সন্ধানে-(১৯৯৪)
■ স্কুলের নাম পথচারী-(১৯৯৫)
■ রাজু ও আগুনালির ভুত-(১৯৯৬)
■ বকুলাপ্পু-(১৯৯৭)
■ বুবুনের বাবা-(১৯৯৮)
■ বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর-
(১৯৯৮)
■ নিতু ও তার বন্ধুরা-(১৯৯৯)
■ মেকু কাহিনী-(২০০০)
■ শান্তা পরিবার-(২০০২)
■ কাজলের দিনরাত্রি-(২০০২)
■ কাবিল কোহকাফী-(২০০৩)
■ দস্যি ক'জন-(২০০৪)
■ আমি তপু-(২০০৫)
■ লিটু বৃত্তান্ত-(২০০৬)
■ লাবু এল শহরে-(২০০৭)
■ বৃষ্টির ঠিকানা-(২০০৭)
■ নাট বল্টু-(২০০৮)
■ মেয়েটির নাম নারীনা-(২০০৯)
■ রাশা -(২০১০)
■ আঁখি এবং আমরা ক'জন-(২০১১)
■ দলের নাম ব্ল্যাক ড্রাগন-(২০১১)
■ রাতুলের রাত রাতুলের দিন-(২০১২)
■ রূপ-রূপালী-(২০১২)
■ ইস্টিশন-(২০১৩)
■ গাব্বু-(২০১৩)
■ টুনটুনি ও ছোটচাচ্চু-(২০১৪)
■ Aro টুনটুনি ও ছোটচাচ্চু-(২০১5)
কিশোর গল্প
■ আমড়া ও ক্র্যাব নেবুলা-(১৯৯৬)
■ আধুনিক ঈশপের গল্প-(১৯৯৬)
■ তিন্নি ও বন্যা-(১৯৯৮)
শিশুতোষ
■ বুগাবুগা-(২০০১)
ভ্রমণ ও স্মৃতিচারণ
■ আমেরিকা-(১৯৯৭)
■ সঙ্গি সাথী পশু পাখি-(১৯৯৩)
■ আধ ডজন স্কুল-(১৯৯৬)
■ রঙিন চশমা-(২০০৭)
বিজ্ঞান ও গনিত বিষয়ক
■ দেখা আলো না দেখা রূপ-(১৯৮৬)
■ বিজ্ঞানের একশ মজার খেলা-
(১৯৯৪)
■ নিউরণে অনুরণন-(২০০২)
■ নিউরণে আবারো অনুরণন-
(২০০৩)
■ একটু খানি বিজ্ঞান-(২০০৭)
■ গণিতের মজা মজার গণিত-(২০০৭)
থিওরি অফ রিলেটিভিটি-(২০০৮)-
আরো একটু খানি বিজ্ঞান- (২০১০)-
কোয়ান্টাম মেকানিক্স-(২০০৯)
কলাম সংকলন
দেশের বাইরে দেশ-(১৯৯৩)-
সাদাসিধে কথা-(১৯৯৫)-
নিঃসঙ্গ বচন-(১৯৯৮)-
প্রিয় গগন ও অন্যান্য-(১৯৯৯)-
হিমঘরে ঘুম ও অন্যান্য-(২০০০) -
২০৩০ সালের একদিন ও অন্যান্য-
(২০০২)-
এখনো স্বপ্ন দেখায়-(২০০৪) -
ভবদহের গল্প এবং অন্যান্য-
(২০০৭)-
বৈশাখের হাহাকার ও অন্যান্য-
(২০০৮) -
বদনখানি মলিন হলে-(২০১২)-
ভৌতিক সাহিত্য
প্রেত-(১৯৮৩)-
পিশাচিনী-(১৯৯২)-
ছায়ালীন-(২০০৬)-
-(২০০৮)-
দানব-(২০০৯)-
ছোট গল্প
একটি মৃত্যুদণ্ড-
২য় অনুভূতি-
ক্যাপ্টেন জুক- 
প্রোগ্রামার-
একজন দুর্বল মানুষ- (১৯৯২)-
ছেলেমানুষ
ী-(১৯৯৩)
Part 1
Part 2
নুরূল ও তার নোটবই- (১৯৯৬)